ওষুধ নয়, জর-সর্দি-কাশি হলে খান এই ছয়টি খাবার। ফল পাবেন হাতে নাতে…

আমাদের দেশে সাধারণত ছয়টি ঋতু। দুই মাস অন্তর বদলায় আবহাওয়ার ধরন। আর এই আবহাওয়া বদলের সময় প্রায় সকলেই কম বেশি ঠান্ডা লাগার সমস্যায় ভোগেন। অনেকে অল্প অসুস্থতাতেই ওষুধ – ডাক্তারের সাহায্য নেন। আবার অনেকে পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার কথা ভেবে ওষুধ খেতে ভয় পান। যারা যারা ওষুধের উপর নির্ভর করেন না আজ তাদের জন্যই এই প্রতিবেদন।

হেলথস্টেটাস.কম এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে এমন কিছু খাবার আছে যা নিয়মিত খেলে ঠান্ডা লাগা, গল খুস্খুস, সর্দি, কাশি ইত্যাদি থেকে রেহাই পেতে পারেন। অবশ্য এগুলি আপনাকে কিছু নিয়ম মেনে খেতে হবে। যখন তখন খেলে কোন কাজ হবেনা। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক খাবার গুলি কি কি …
কলা ঃ কলা হল একটি নন অ্যাসেডিক খাবার। এছাড়া কলাতে আছে লো গ্লাইসেমিক উপাদান যা ঠান্ডা লাগা, সর্দি, কাশি কমায়। প্রতিদিন আপনার খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন দুটি করে কলা।

আদা চা ঃ আদা প্রাচীন কাল থেকেই গলা খুসখুসের ওষুধ হিসাবে কাজে লেগে এসেছে। ঠান্ডা লেগে গলা খুসখুস, কাশি ইত্যাদি হলে আদা কুচি করে কেটে তা এক কাপ মত জলে ফুটিয়ে নিয়ে তাতে অল্প মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে আপনার গলায় আরাম হবে, কাশি এবং গলা খুসখুস কমবে। এছাড়াও যদি গ্ল্যান্ড ফুলে গিয়ে থাকে তাহলে সেই সমস্যা থেকেও রেহাই পেতে পারেন।
ডিম ঃ ডিমের সাদা অংশ খেলে গলার গ্ল্যান্ড ফুলে যাওয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও গলা ব্যাথা হলে তা থেকে মুক্তি মেলে।

চিকেন স্যুপ ঃ গলা ব্যাথা, ঠান্ডা লাগা, সর্দি, কাশি ইত্যাদি থেকে মুক্তির জন্য প্রাচীন কাল থেকেই ব্যবহার হয়ে আসছে গরম পানীয়। এই গরম পানীয়ের মধ্যে পরছে চিকেন স্যুপও। চিকেন স্যুপে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে হওয়া সর্দি কাশি কমাতে সাহায্য করে।

সিদ্ধ গাজর ঃ গাজর হল একটি এমন খাদ্য উপাদান যাতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এবং মিনারেলস। যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সহজে শরীরে রোগের আক্রমন হতে দেয়না। আপনার খাদ্যাভ্যাসে রোজ রাখতে পারেন গাজর। কিন্তু ঠান্ডা লাগার ক্ষেত্রে কাঁচা গাজর না খেয়ে সিদ্ধ গাজর খাওয়াই ভালো।

লেবু ও মধু ঃ সম পরিমান লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খেলে গলার ভিতরের ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ কমায়। এইসব উপায়ে আপনি নিশ্চিন্তে সুস্থ থাকবে আর এই শীতকালে জর-সর্দি আপনার ধারের কাছে ঘেষতে পারবে না।