কিছু জিনিস আপনার সবচেয়ে প্রিয় মানুষের সাথেও ভাগাভাগি করবেন না, করলে হতে পারে মারাত্মক বিপদ…

কিপটে বলে কি বদনাম আপনার সমাজে ? খরচা করে দরকারী জিনিস গুলি কেনার বদলে কি আপনি পছন্দ করেন কাছের মানুষের জিনিস গুলি ব্যবহার করা ? এই বদ অভ্যাস যদি থেকে থাকে তবে আজ থেকেই তা পরিত্যাগ করুন। অন্যের জিনিস ব্যবহার করলে আপনার হতে পারে মারাত্মক বিপদ। তাই সেগুলি থেকে এড়িয়ে চলাই আপনার স্বস্থের পক্ষে ভালো।

বন্ধুর ব্রাশ বা অন্তর্বাসের মতো জিনিস থেকে হয়ত আপনি দুরে থাকেন। কিন্তু আপনি কি জানেন এসব জিনিস ছাড়া আরও কিছু জিনিস আছে যেগুলি ব্যবহার করলে বিপদ আপনার এবং আপনার নিকট ব্যক্তি দুজনেরই। ব্যক্তিগত জিনিস কিছু আছে যেগুলো অন্যেরটা যেমন ব্যবহার করা উচিত নয়, তেমনই সেগুলো রোজকার নিয়মে পরিস্কারও রাখা উচিত। জেনে নিন সেগুলি কি।

জুতো বা চটি ঃ- বাড়ির প্রিয় মানুষের চটি জোড়া হুট করে আমরা গলিয়ে নি। বা বাড়িতে অতিথি এলে আমরা নিজেদের জুতো বা চটি তাদের দিয়ে থাকি ব্যবহারের জন্য। পায়ে জুতো বা চটি দিলে আমাদের পা ঘামতে থাকে, ফলে পায়ের জিবানু খুব সহজেই অন্য পায়ে চলে যেতে পারে।
সাজের সরঞ্জাম ঃ- মুখে আমরা যেসব জিনিস পরিচর্যার জন্য ব্যবহার করি তা ২-৩ মাস পর পর পরিবর্তন করা উচিত। কারণ এতে রয়ে যায় ফাঙ্গাস। তাই খুব প্রিয় মানুষও যদি এর ভাগ চায় তবে বুঝিয়ে বলুন এই কথা। ত্বকে ব্যবহারের সরঞ্জাম কারোর সাথে ভাগ না করাই ভালো।

তোয়ালে ঃ- গামছা বা তোয়ালে একান্ত নিজের জিনিস, একথা বলার অপেক্ষা রাখে না। এসব জিনিসগুলো প্রতিদিন ভালো ভাবে সাবান দিয়ে পরিষ্কার করা উচিত। শরীরের নোংরা খুব সহজেই স্থানান্তরিত হবে অন্যের তোয়ালে যদি ব্যবহার করেন।
হেডফোন ঃ- হেডফোন তো আজকাল সকলেরই খুব প্রিয় জিনিস। ট্রেনে বাসে প্রায়ই দেখা যায় একজনেরটা নিয়ে দুজনে গান শুনছেন। জেনে রাখা ভালো আমাদের সবার কানে ব্যাকটেরিয়ার একটা ভারসাম্য আছে। নিজের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট করতে রাজি থাকলে ভাগ করে নিন হেডফোন। না হলে হতে পারে কানে ব্যথা ও সংক্রমণ।ডিওডোরেন্ট ঃ- ডিওডোরেন্ট স্পর্শ করে আমাদের শরীরের একটি বিশেষ জায়গা। সেই স্থান থেকে ছড়াতে পারে জীবাণু। তাই অন্যের ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করা খুব খারাপ একটি অভ্যাস। আর নিজেও ব্যবহার করুন সতর্কতার সাথে। স্নানের পরই ডিও ব্যাবহারের উপযুক্ত সময়।

তাই সাবধান থাকুন, উপরিউক্ত জিনিসগুলি ভবিষ্যতে ভুলেই কারুর সাথে শেয়ার করবেন না। কখন কি ঘটে যায় তার কথা কেউ বলতে পারে না।