পিঁয়াজে এত রোগ সারে জানতেন কি ? জেনে নিন, এতে আপনার ডাক্তারের খরচ কমে যাবে…

আপনার কি মনে হয় যে পিঁয়াজ খালি তরকারিতে স্বাদ বাড়াতে লাগে ? তবে আপনার এই ধারণা একেবারেই ভুল। অনেকেই এমন আছেন যারা কাঁচা পিঁয়াজের উপকারিতা জানেন ও সেটিকে স্যালাড হিসেবে খাবারের সাথে রাখেন। কাঁচা পিঁয়াজ খাওয়া খুবই ভালো অভ্যাস। এটি শরীরের বিভিন্ন কাজে লাগে। পিঁয়াজ বিশেষ খনিজে পূর্ণ, এতে থাকে অনেক সালফার। পিঁয়াজে আছে একটি বিশেষ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাংগাল গুণ।

সাধারণ সর্দি, কাশি থেকে শুরু করে হার্টের সমস্যাও দূর করে থাকে পিঁয়াজ। তবে অনেকেই আছেন যারা কাঁচা পিঁয়াজের বিশেষ গন্ধের জন্য তা খেতে পছন্দ করেন না। এখন তারাও এর উপকার থেকে বঞ্চিত হবেন না, শুধু জেনে নিতে হবে এর বিভিন্ন ব্যবহার। সাথে সাথে ডাক্তারের কাছে না ছুটলেও আরাম পাবেন আপনি।
কাটা ও রক্তপাতঃ হঠাত শরীরে কোথাও কেটে গেছে ? পাতলা করে কেটে নিন পিঁয়াজের সাদা অংশ টুকু। তারপর সাদা কাপড় দিয়ে জড়িয়ে দিন ক্ষত স্থান। ঘরে বরফ বা ভালো ক্রিম না থাকলেও উপশম হবে কিছু সময়ের মধ্যেই।

সংক্রমনঃ নারকেল তেল ও পিঁয়াজ এই দুটি ঘরে আমাদের প্রায় সবসময়ই থাকে। পিঁয়াজ কুচি ও ১-২ টেবিল চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এই প্রলেপ বুকে লাগিয়ে মোটা কাপড় জড়িয়ে রাখুন। ইনফেকশন কমে যাবে।
জ্বরঃ জ্বর কিছুতেই কমছে না ? পায়ের তলায় নারকেল তেল মালিশ করুন। তারপর পিঁয়াজ গোল করে কেটে নিন ও তা পায়ের তলায় রেখে মোজা পরে থাকুন। জ্বর কমে যাবে নিমিষে। শীতকালে যারা খুব কষ্ট পান তারাও এটা করে দেখতে পারেন। আরাম পাবেন অবশ্যই।

শিশুদের পেটের সমস্যাঃ শিশুরা প্রায় হজম সংক্রান্ত পেটের কষ্টে ভোগে। হলুদ পিঁয়াজ কেটে জলে ফুটিয়ে চা বানিয়ে নিন। শিশুদের এই চা খাওয়ালে সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে।
বমিঃ বার বার বমি নিরাময় করে পিঁয়াজের রস। পিঁয়াজ বেটে রস তৈরি করে নিন। জোগাড় করে রাখুন পেপারমিন্ট টি। দু’চা চামচ পিঁয়াজের রস খেয়ে পাঁচ মিনিট পর এ দু’চা চামচ পেপারমিন্ট টি খান। এভাবে এক বার পিঁয়াজের রস ও চা ১৫ মিনিট ধরে খেতে থাকুন। বমি কমে যাবে।

কাশিঃ আপনার কি কাশির ধাত ? অনেক কফ সিরাপ খেয়েও কমে না কাশি ? তাহলে এই উপায় অবলম্বন করে দেখুন। পিঁয়াজ অর্ধেক করে কেটে নিন, দুটো আধা ভাগের ওপর এক চামচ করে ব্রাউন সুগার দিয়ে এক ঘণ্টা রেখে দিন। দিনে দু’বার করে এটা খেলে কাশি কমে যাবে।